যে ৬ টি কারণে মঙ্গল হবে মানুষের দ্বিতীয় ঘর

যে ৬ টি কারণে মঙ্গল হবে মানুষের দ্বিতীয় ঘর

0

হ্যালো ফ্রেন্ড, আপনি কি ঐ কারণ গুলো জানেন, যে ৬ টি কারণে মঙ্গল হবে মানুষের দ্বিতীয় ঘর?
আপনি ভেবে অবাক হয়ে যাবেন আমরা বর্তমানে এমন একটি সময়কে অতিক্রম করছি যেখানে প্রতিদিনই নতুন নতুন ইতিহাসের সৃষ্টি হচ্ছে। আপনি এটা জেনে ভীষণ গর্বিত অনুভব করবেন। অদূর ভবিষ্যতে আমরা মঙ্গল গ্রহে মানব বসতি স্থাপন করতে যাচ্ছি। আর এই মঙ্গলে মানব বসতি স্থাপন করা শুধুমাত্র আমাদের ইচ্ছা এটাই নয়। এটা আমাদের জন্য ভবিষ্যতে আবশ্যিক হয়ে দাঁড়াবে।

আজকের এই পোস্টে আমরা ঐ সমস্ত কারণ সম্পর্কে জানব তার জন্য মঙ্গল আমাদের দ্বিতীয় ঘর হয়ে যাবে।
প্রথম কারণ :

১।পৃথিবীর বিকল্প:

আমরা এখন মানব ইতিহাসের সবথেকে বড় যুদ্ধে নেমেছি। যা একে অপরের সাথে নয় সেটা হচ্ছে পৃথিবীর ওয়েদারের সাথে।আর এর জন্য বিজ্ঞানীরা পৃথিবীর কোন এমন একটি গ্রহ খোঁজ করতেছে যেখানে নতুনভাবে মানব বসতি স্থাপন করা যেতে পারে। যেহেতু আমাদের সৌরমণ্ডলের মঙ্গল ব্যতীত বাকি একটি গ্রহ আমাদের বসতি স্থাপনের জন্য অনুকূল নয় তার জন্যই মঙ্গল কে সিলেক্ট করা হয়েছে।এখন পর্যন্ত অধ্যায়ন থেকে মানবের বসবাসের জন্য সবথেকে অনুকুল উপগ্রহ মঙ্গলকে ধরা হয়।এছাড়াও আমরা পৃথিবীর ইতিহাসকে দেখেছি।

যেখানে একটি অ্যাস্ট্রয়েড ডাইনোসরের প্রজাতি সহ পৃথিবীর 75 শতাংশ প্রজাতি কে ধ্বংস করে দিয়েছিল। যদি কোন অ্যাস্ট্রয়েড পৃথিবীতে এসে আঘাত করে তাহলে মানবের অস্তিত্ব সহ সমস্ত পৃথিবী বিলীন হয়ে যাবে। এছাড়াও বর্তমানে পরমাণু বোম এতটাই শক্তিশালী হয়ে গেছে যে কোন মুহূর্তে পৃথিবী কে ধ্বংস করে দিতে পারে। এজন্য মানব অস্থিত্ব রক্ষার জন্য মঙ্গলে দ্বিতীয় বসতি স্থাপন করতেই হবে। ইলন মাস স্পেস এক্স ফাউন্ডার।তিনি এই বিষয়টিকে নিয়ে নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছেন।তিনি 2024 এর মধ্যে মঙ্গল একটি মানব মিশন পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মঙ্গল গ্রহে যাওয়া আমাদের মানব ইতিহাসে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জের একটি হয়ে যাবে।

দ্বিতীয় কারণ:

আরও দেখুন
1 of 3

মঙ্গল গ্রহ চাঁদের তুলনায় আমাদের পৃথিবীর থেকেও 182 গুন অধিক দূরে আছে। আর এতটা দূরত্ব পাড়ি দিতে আমাদের অনেক বাধার সম্মুখীন হতে হবে। স্পেস স্টেশনে লম্বা সময়ের জন্য লম্বা সময়ের জন্য অবস্থানের সময় মানব শরীরে কি কি ধরনের সমস্যা হতে পারে তা নিয়ে কাজ করছেন নাসা ও স্পেস এক্স। এসব সমস্যা থেকে অতি সহজে কিভাবে পরিত্রান পাওয়া যায় তার কিছু টেকনিক নিয়ে কাজ করতেছে নাসা ও স্পেস এক্স।

তৃতীয় কারণ:

বন্ধুরা বিজ্ঞানীদের কথা অনুসারে আমরা মঙ্গল গ্রহের অবস্থাকে পৃথিবীর মতোই করতে পারব। তার মানে আপনি বুঝতে পারছেন বিজ্ঞানীদের কাছে এমন সব টেকনিক আছে যেসব আমরা মঙ্গল গ্রহ কে আমাদের পৃথিবীর মতোই করতে পারব। বিজ্ঞান বলে আমরা মঙ্গলের মেরুর বরফ গুলোকে গলিয়ে দিতে পারি। যেটা মঙ্গলের আবহাওয়া কে দ্রুত পরিবর্তন করে দিবে। বিজ্ঞানীরা মঙ্গলের মেরু অঞ্চলের দিকেই বসবাসের চিন্তা করতেছে। যেটা একটু কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। বিজ্ঞানীরা মঙ্গলের মাটির নিচে এমন একটি শহরের চিন্তা করতেছে যেটার মধ্যে আমরা সমস্ত সুবিধা পাব।

চতুর্থ কারণ:

মঙ্গল গ্রহে পাওয়া পর্যাপ্ত জল :জল এমন একটা জিনিস যেটা ছাড়া মানবজীবনকে কল্পনা করা অসম্ভব। আর সৌভাগ্যক্রমে মঙ্গলে প্রচুর পরিমাণে বরফ রয়েছে যেটাকে লিকুইড করে আমরা জলের চাহিদা মেটাতে পারব। বন্ধুরা নাসা মঙ্গলে এত পরিমান বরফ পেয়েছে যেখান থেকে উৎপন্ন জল পৃথিবীর সাতটি সমুদ্রের মধ্যে ও নেই। যার মানে আপনি বুঝতেই পারছেন সেখানে প্রচুর পরিমাণে জল রয়েছে।

পঞ্চম কারণ:

পর্যাপ্ত পরিমাণ ধাতব উপাদান থাকা :আমরা যদি পৃথিবী থেকে ঘর তৈরীর জন্য সমস্ত উপাদান মঙ্গলে নিয়ে যেতে চাই তাহলে সেটা অনেক ব্যয়বহুল হয়ে যাবে। কিন্তু মঙ্গলে পর্যাপ্ত পরিমাণ ধাতব উপাদান থাকায় আমাদের মঙ্গলে ঘর তৈরি করতে তেমন কোন অসুবিধা হবে না। এছাড়াও মঙ্গলের মাটিতে কিভাবে অতি সহজে ফসল উৎপাদন করা যায় সেটা নিয়ে পরীক্ষা চলছে।

Leave A Reply

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More